ফেসবুক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফেসবুক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৯ মার্চ, ২০১১

URL সংক্ষেপ করার দলে [fb.me]

URL সংক্ষিপ্ত করার জন্য Bit.ly খুবই জনপ্রিয় সার্ভিস , টুইটার এই ধারা কে আরও জনপ্রিয় করে| ফলে tinyurl বেশ জনপ্রিয়তা পায়| এই ধারাবাহিকতায় ফেসবুক URL সংক্ষিপ্ত করার কাজে হাত দেয় ২০০৯ সালের শেষের দিকে |ফেসবুকের সংক্ষিপ্ত রূপ দাড়ায় :fb.me তে |তবে এই সেবা খুবই সীমিত পরিসরে ব্যবহার হচছে - শুধুমাত্র মোবাইল ইন্টারফেসে সময় সক্রিয়ভাবে পাওয়া যায় অর্থাৎ m.facebook.com থেকে শেয়ার করা লিঙ্ক গুলি সক্রিয় ভাবে fb.me তে রুপান্তরিত হয়|
এই সংক্ষিপ্ত URL ওয়েবেও ব্যবহার করা যাবে, কিন্তু এটা মূল URL এ রিডিরেক্ট করে, যেমন নাগরিক ব্লগের ফেসবুক ঠিকানাকে যদি http://fb.me/nagorikblog লিখে ওয়েবে সার্চ করা হয়, তবে এটা সরাসরি http://facebook.com/nagorikblog ঠিকানায় নিয়ে যাবে| অনেকেই fb.me-এর স্বতস্ফূর্ত ব্যবহার করছেন, অনেকেই এই লিক্ন্ক্তাকে ব্লগস্পটে কমেন্ট করার জন্য ওপেন আইডি হিসেবে এবং টুইটারে নিজের ওয়েব লিঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করছেন| আগামিদিনে হয়তো ওয়েবের জন্যও ফেসবুকের URL সংক্ষিপ্ত করার সেবা দেখতে পাবো | 
-------
-------
এই ধরনের আরো কয়েকটি সেবা :
  • ইয়াহু: http://y.ahoo.it/
  • স্টামবল আপন : http://su.pr/

রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০১০

ফেসবুক কড়চা ৩: ৫০০ মিলিয়ন গল্প

এখন আর আগের মতো ফেসবুকের প্রতি টান নেই, ঘন্টার পর ঘন্টা ফেসবুক ওপেন করে বশে থাকার অভ্যেস দূর হয়েছে| তারপরও অনেকের সাথে বিশেষ করে আমার প্রবাসী বন্ধুদের সাথে যোগাযোগের জন্য ফেসবুকের বিকল্প নেই. আমার বেশির ভাগ বন্ধুরা এখনো টুইটার নামক মাইক্রো ব্লগিংয়ে অভ্যস্ত হতে পারেনি|

মজার ব্যাপার এত কিছুর মাঝে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখা ২১শে জুলাই সকালে ৫০০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে| খোশ আমদেদ ফেসবুক| যদি এই ৫০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী এর নাগরিক হত তাহলে ফেসবুক হতো চীন ও ইন্ডিয়ার পর পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র |
উদযাপন করার মতো সাফল্য অবশ্যই, তবে আর সবার মতো মার্ক জুকারবার্গ (ফেসবুক কর্তা) বেলুন উড়িয়ে আর এর ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বাণী দিয়ে বসে থাকেন নি, ব্যবহারকারীদের উপহার দেয়েছেন - ফেসবুক স্টোরিস (Facebook Stories) ,নতুন একটা এপ্লিকেশন|

এই এপ্লিকেশনের মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা জানাতে পারেন , ফেসবুক নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, সামাজিক যোগাযোগে ফেসবুকের অবদান, ব্যক্তিগত জীবনে ফেসবুকের প্রভাব , প্রভৃতি|  
এই গল্প গুলো একই সাথে থিম এবং লোকেশোনাল দুই ভাবে বিন্যাস করা হয়েছে|গল্প গুলোর স্থানিক বিন্যাস দেখানোর জন্য Bing ম্যাপ ব্যবহার করা হয়েছে| বর্তমানে ৩০ টি থিমে গল্পগুলো সংকলিত করা হচ্ছে.


ফেসবুকের অন্ধ ভক্তরা চাইলে ফেসবুক কে ধন্যবাদ জানাতে পারেন এই লিঙ্কে facebook.com/thanks

মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০১০

ফেসবুক কড়চা ২ : বিকল্প পথ

আজ সকালে খবর পেলাম পাকিস্তানের আদালত  ফেসবুক এর উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে রায় দিয়েছে সুত্র. কিন্তু আমাদের সরকার এখনো এই ব্যপারে নিশ্চুপ.
ঢাকা ইউনিভর্সিটির ছাত্ররা অবশ্য বসে নেই, তারা বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে .বাংলাদেশ সরকার হয়তো দু দিন বাদে ঠিকই সাময়িক  নিষেধাজ্ঞা তুলে নিবে(গাধা জল খায় ঘোলা করে) .


Proxy server এর স্লথ গতিতে ফেসবুক দেখতে ভালো লাগলোনা, তাই বিকল্প উপায় খুজছি, পেয়েও গেলাম একটা. ভবিষ্যতের কথা ভেবে টুকে রাখসি বিকল্প পদ্ধতি :
১. যে ইনটারনেট ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে : মজিলা ফায়ার ফক্স 
২. প্রক্সি সার্ভার লিঙ্ক : http://www.torproject.org/download.html.en  
৩. পেজ আসার পর  লিস্টের প্রথম অপেরাটিং সিস্টেম উইন্ডোজের ডাউনলোড স্টেবল -এ  ক্লিক  করতে হবে
৪. ডাউনলোড হওয়ার পর প্রোগ্রাম টিকে run করাতে হবে 
৫. সম্পূর্ণ লোড হওয়ার পর ফায়ার ফক্স এর নিচের টুল বারের ডান দিকে দেখানো Tor এর উপর ক্লিক করে এনএবল করতে হবে.


ঠিক মতই কাজ করছে...... এই মাত্র ফেসবুকে বন্ধু প্রিন্সের চিটির জবাব দিলাম.

রবিবার, ৩০ মে, ২০১০

ফেসবুক কড়চা ১ : বিড়ম্বনা

ইউনিভার্সিটি থেকে বের হয়ে আসার পর সবার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য মোবাইল ফোনই ভরসা ছিলো.   প্রতি সপ্তাহে একবার করে এক সাথে হবার কথা থাকলেও এত স্পৃহা কারো বেশি দিন টেকেনি . এরই মাঝে 'ফেসবুক' আমদের কে সশরীরে মুলাকাত করার বদলে ভারচুয়াল যোগাযোগের দরজা খুলে দেয়, সবাই ফেসবুক এ আসক্ত হয়ে পরলাম , সবার সাথে মেইল আদান প্রদান অথবা যে কোনো সময় ছোট বার্তা আদান প্রদান নিজের তোলা ছবি নিয়ে মন্তব্য আমাদের যোগাযোগের নতুন মাত্রা এনে দেয় , কাছে না থেকেও সবার অবস্থা জেনে জেতাম  যে কোনো সময় . 


মাঝে মাঝে ইন্টার নেট সংযোগ না থাকলে , সবার কাছ থেকে যতনা ছিন্ন হতাম তার চেয়ে বেশি ছিন্ন হয়ে যেতাম ফেসবুকের ওয়েব সাইট ডাউন হয়ে গেলে . এই ভার্চুয়াল সংস্কৃততে অভ্যস্ত হয়ে পরার পরিনতি ভালো নয় - এই শংকা মনে প্রায় কাজ করতো . আজ এই শংকা সত্যি হয়েছে ,ভালো মতই টের পাচ্ছি এর পরিনতি, কারণ গতকাল(২৯শে মে) স্বন্ধ্যা থেকে বাংলাদেশে ফেসবুক এর সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে সরকার.সুত্র


কারণ হিসেবে বলা হয়েছে সামাজিক অবক্ষয় , ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত - কিন্তু এই কারণ গুলোর বাইরে দুই নেত্রীর ব্যঙ্গ চিত্র প্রকাশ, ফেসবুক বন্ধ করতে সরকার কে বেশি আগ্রহী করেছে বলে আমার মনে হয়েছে . 


বেশ কয়েকদিন ধরে ফেসবুক নানা ভাবে বিতর্কের কেন্দ্র বিন্দুতে - মহানবী(স:)কে নিয়ে কার্টুন, ফেসবুক প্রফাইলএ ব্যক্তিগত  নিরাপত্তা , এসব কারণে পাকিস্তান সরকারও তাদের দেশে এই জনপ্রিয় সামাজিক সাইটটিকে বন্ধ রেখেছে. যদি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের কারনকে মুখ্য দেখিয়ে ফেসবুক বন্ধ রাখতে হয় তাহলে বাংলাদেশ সরকারের উচিত ছিলো আরো আগেই এ ব্যপারে উদ্যোগ নেয়া . রাজনৈতিক নেতাদের(এই খানে পড়তে হবে -নেত্রীদের) ব্যঙ্গাত্মক চিত্র প্রকাশের পর সরকারের চোখ ফুটলো কারণ তাদেরতো "মান -সম্মান" আছে , কিন্তু ফেসবুকে তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে সেটাতো আর সরকারী মিডিয়াতে আসেনা, তাই ফেসবুক বন্ধ করে দেয়াকেই সমাধান মনে করেছেন . 


এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা দরকার, উইকিপিডিয়ায় আমাদের প্রিয় নবীর ছবি দেওয়া আছে(রেফারেন্স লিঙ্ক দিয়ে ওই পেজের হিট বাড়াতে চাচ্ছিনা) যা ধর্মীয় ভাবে নিষেধ, অথচ তখন কোনো মুসলিম প্রধান সরকার এর প্রতিবাদ করেন না , ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত লাগেনা. এমনি আরও লাখো ওয়েব সাইট আছে যারা সুকৌশলে বিভিন্ন ধর্মের  বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে, এই সব ব্লাসফেমীদের নিয়ে কারো মাথা ব্যথা নেই. 


বাংলাদেশে ফেসবুক এর ব্যবহার কারীর সংখ্যা প্রায় চার লাখ. চার লাখই যে ফেসবুকের অপব্যবহার করছে- তা অবশ্যই না ,গুটি কয়েক উঠতি বয়সের  বেয়াদবের জন্য পুরো চার লাখের একটা বিশাল সংখ্যাকে ভোগান্তিতে রাখা হয়েছে . বর্তমান সরকারের একটি জনপ্রিয় উদ্যোগ "ডিজিটাল বাংলাদেশ". বাংলদেশ সরকার যদি তাদের এই 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' এর ধারণার বাস্তবিক রূপ দেখতে চান , তাহলে ফেসবুকের মতো কোনো ওয়েব সাইট বাঁধা হবার মতো যোগ্যতা রাখেনা. তাই সাময়িক বন্ধের এই নাটকের শেষ করা হোক. 


পাকিস্তানের আদালত ফেসবুক বন্ধের আদেশ আগামীকাল বাতিল করবে.
ফেসবুকে আমার লগ ইন করার জন্য যে মেইল একাউন্ট দেয়া,  সেখানে প্রায় ত্রিশটার মতো নোটিফিকেশন লিঙ্ক জমা পরে আছে, ক্লিক হবার অপেক্ষায়. দেখি প্রক্সি সার্ভার হয়ে 'ঢোকা' যায় কিনা..