চিরকুট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চিরকুট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৬

চিরকুটঃ Safety is a Product


নিজের মনের অগোছালো ভাবনা থেকে লিখছিঃ 
একটা সময় র‍্যাপিড একশন ব্যাটেলিয়িন বা র‍্যাব এসে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছিল। কালক্রমে র‍্যাব এখন পুলিশের মতই ঝিমিয়ে পড়া নিরাপত্তা বাহিনী হয়ে গেছে, ক্রমাগত ক্ষমতাসীন দলের নিজস্ব মিলিশিয়ায় পরিণত করা হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ আর র‍্যাব এর মত এলিট ফোর্সকে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে এই দুই শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনী হয়রাণ। 

তাই তকি, তনুরা মারা পরে অনিরাপত্তা আর অসামাজিকতারর অজুহাতে, এদের হত্যার বিচার ভাল মতে দেয়া হয় না। সাগর-রুনীর হত্যাকারিরা বছরের পর বছর পর্দার আড়ালে থেকে যায়। জুলহাসদের ইসলামি জঙ্গী সংগঠনের ব্যানারে মারা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে মরে যেতে হয় ভোঁতা দাওয়ের কোপ খেয়ে। ব্লগারদের হত্যা করা যেন ডালভাত। এতক্ষণ যাদের খুনের কথা বললাম এরা সবাই সাধারণ মানুষ। 
এবার অসাধারণ মানুষদের কথা বলি। যেমন আমাদের প্রধান্ মন্ত্রি পুত্র সজীব ওয়াজেদ। তিনি বাংলাদেশে থাকেন না, কিন্তু তিনি এগ্রিভড হয়ার আগেই উনার খুনের ষড়যন্ত্রিদের ধরে ফেলা হয়। নিজের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে হয়না তাকে। বসুন্ধরা গ্রুপের মালিক আহমেদ আকবর সোবহান আমাদের প্রধানমন্ত্রীর পুত্রের মত পলিটিকাল ভি আই পি নন। কিন্তু তার আছে বিত্ত, তিনি নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন তার পারসোনাল আরমার্ড বডি গার্ড দিয়ে। নিরাপত্তাকে সাধারণ মানুষের জন্য আকাংক্ষিত বা দুর্লভ পণ্য বানানো হচ্ছে। সেইদিন আর বেশি দূরে নেই, বাংলাদেশের এলিটরা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য পারসোনাল ফোর্স ভাড়া করবেন বা নিজেরাই ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনী পালবেন। নিরাপত্তার নামে এমেরিকা থেকে অস্ত্র আমদানি বাড়িয়ে দেয়া হবে। 

তাই এখন আর বাঘের মত একা একা চলি না। ভেড়ার পালের মত দলবেঁধে চলি। আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের মাথা ব্যাথা হয়। আমার দেয়া ট্যাক্সের টাকায় চালানো রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর কাছ থেকে নিরাপত্তা আশা করার সময়, মাঝে মাঝে মনে হয়, আমার ট্যাক্সের টাকা গুলি বৃথা যাচ্ছে। কিন্তু আমার যে নিজের গার্ড পোষার মত সামর্থ্য নেই , আমি একজন সাধারণ মানুষ। আমি 'নিরাপত্তা' নামের পণ্য কিভাবে কিনবো ? 29.04.2016

শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৩

Natural Repeat পুনরাবৃত্তি

আমার প্রথম ভাগ্নে জারজিস। এই একমাত্র দুষ্ট ভাগ্নের আজ ২য় জন্ম বার্ষিকী। তারচেয়ে  আনন্দের বিষয়, জারজিসের বোন আজ সকাল ১০ টায় এই পৃথিবীর প্রথম আলো দেখল। অর্থ্যাৎ, আমার ভাগ্নে আর সদ্য ভুমিষ্ট ভাগ্নির জন্মদিন, একই দিনে-২৫ শে  অক্টোবর। আমি তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি।

অদ্ভুত হলেও সত্য যে, আমার আর আমার বোনের জন্মদিনও একই দিনে। আমাদের জন্মদিনে এক সাথে ২টা কেক কাটা হতো। আমি ও আমার বোন এখন পর্যন্ত একসাথে জন্মদিন উদযাপন করেছি। ভাবতে ভাল লাগছে, আমাদের এই নিজেস্ব পারিবারিক প্রথা এখন আমার বোনের পরিবারে শুরু হবে।  

প্রকৃতি আনন্দময় ঘটনাগুলির পুনরাবৃত্তি ঘটায়। 

________________

Zarzis  is my first nephew, today is his 2nd birth Anniversary. There is another joyous fact that, his sister is born today at 10 AM. That means , both of my nephew and niece shares the same date of birth - 25th October. I pray for there health and prosperity.

Again it is strange but true, as well as a great co-incidence  that me and my sister also share the same day for birth anniversary. Even this days, after all these years ..we celebrate our birthday together by cutting two different cakes. Its good to know that,  birdthday tradition of my family is now passed to my sister's family.  

Nature repeats the joyous moments of our life and passes these events to out next generation.

বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৩

চিরকুট-১ =মানব শ্রেনী =

পৃথিবীতে চার দল মানুষ আছেঃ

প্রথম দলের মানুষ অনুগত শ্রেনীর। এরা তাদের বাবা মা, পরিবার, প্রতিষ্ঠান, প্রতিপালক সবার প্রতি অনুগত। এদের চাওয়া পাওয়া, অন্যের কাছে প্রত্যাশা থাকে না অথবা অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকেন।  এই দলের মানবশ্রেনী ধৈর্যশীল, পরিশ্রমী,  প্রাথমিক সময়টা কষ্টে কাটালেও, পরবর্তীতে এরা পুরষ্কৃত হয়।  

দ্বিতীয় দলের মানুষ অনুতপ্ত শ্রেনীর। এরা তাদের প্রাথমিক জীবনের কৃত কর্মের জন্য হা হুতাস করে থাকে। এরা তাদের প্রাথমিক জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে পরে অনুগত শ্রেনীর মানুষ হয়, নয়তো অনুতপ্তই থেকে যায়।

তৃতীয় দলের মানুষ অতৃপ্ত শ্রেনীর। এই দলের  লোকদের চাওয়া- পাওয়া, হোক ভাল বা  মন্দ - কোন কিছুতে সন্তুষ্ট নয়। এদের কেউ কেউ অনুতপ্ত হয়, নয়তো চতুর্থ শ্রেনীর  মানবের পরিনতি বরন করে।

চতুর্থ দলের মানুষ অভিশপ্ত।   এরা মানব জাতির জন্য ক্যান্সারের মতো, এরা কখনো মানব সমাজের কল্যাণ করে না, অন্যের ভালো- চিন্তা করতে পারেনা। এরা কারো বন্ধু হতে পারে না।
________

আজ আমার সাথে এক অতৃপ্ত শ্রেনীর মানুষের  সাক্ষাৎ হল। আল্লাহ তাঁর মঙ্গল করুন। আমীন।

রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

এলিট এইটে বাংলাদেশ

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের পাশে অথবা মতিঝিল শাপলা চত্তর ক্রস করার সময় বিশ্বকাপের মাসকট ষ্ট্যাম্পিকে বেশ চোখে লাগে| কাকা আর মেসির আদলে বানানো তামিম আর সাকিবের করা পেপসির বিজ্ঞাপনও রাস্তার সড়ক দ্বীপ থেকে আমার দৃষ্টি বিলবোর্ডের দিকে সরিয়ে নেয়| মিরপুর স্টেডিয়ামের সামনের সোডিয়াম বাতিগুলি হলুদ আলোর বদলে গোলাপী আলো ছড়াচ্ছে | বিশ্বকাপের বিশাল বিজ্ঞাপন ওভারব্রীজ গুলি দখল করে নিয়েছে , পুরানা পল্টনের রাস্তার পাশে চুনকাম হওয়ার আগেই |ঢাকা নগরী ব্যস্ত হচ্ছে এই মহা আয়োজকে সামনে রেখে | ফুটপাথ থেকে হকারদেরও সরিয়ে ফেলা হয়েছে, এই টুর্নামেন্টের নিরাপত্তার জন্য |  ক্রিকেট পাগলরা কেউ বসে নেই- বাসে যাতায়াতের সময় পলিটিক্স আর বাসের ভাড়া নিয়ে ক্যাচালের পাশাপাশি ক্রিকেট এখন মুখরোচক বিষয় |
প্রথম আলো ২০-০২-২০১১ থেকে
বিশ্বকাপের জ্বর আমাকে এখনো ধরতে পারেনি কারণ এই বছরটা আমি আর আমার বেশির ভাগ বন্ধুরাই দলছুট, তাই একসাথে বসে খেলা দেখার উত্তাপটা নেই, আমরা ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষে পাওয়া চারদিনের ছুটি কাটানোর প্ল্যান  নিয়ে ব্যস্ত | এইসব আয়োজন-বিয়জোনের মাঝে এই খবর বঙ্গদেশের ক্রিকেট-আমোদীদের জন্য খুবই আনন্দের :


রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১০

Missing Ramadan

বছর ঘুরে আরেকটা রমজান এসে গেলো | বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলে আসার পর ঢাকা শহরে এটা আমার তৃতীয় রোজার মাস | ছাত্র অবস্থায় বাসায় এসে রমজান পালন করা হইয়নি - ব্যপারটা এমনটি নয় | ঢাকায় বাসা থাকার কারণে আমি বাসা টু ইউনিভার্সিটি যাই-আসি করতাম| তারপরও রমজানের সিংহভাগ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে যেতাম , কারণ ইস্কুলের মতো বিশ্ববিদ্যালয় পুরোমাস বন্ধ থাকার কোনো রেয়াজ নেই, ক্লাস চলতো| ইফতার এর বাহানায় মুলাকাত হত বিভিন্ন দল, সংস্কৃতিক গোষ্টি, জেলা সমিতির সাথে  | এইসব একাডেমিক কারণের বাইরে সবচেয়ে বড় কারণ ছিল - ইদের ছুটিতে সবাই বাড়িতে চলে যাবে , লম্বা সময় কারো সাথে এভাবে এর দেখা হবেনা |
এই কারণ গুলো ছাড়াও আরো অনেক ছোট ছোট ব্যাপার আছে, যা এখন এই সময়ে হয়ে ওঠে না , এজন্য ওই  সময়ের ইমেজটা আমার স্মৃতিতে এখনো সজীব|

রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০১০

লাল চাঁদ : ২৭শে আগস্ট ২০১০

বড় মামার কাছ থেকে খবর পেলাম, খুব জলদি আমরা চাঁদ একটার বদলে দুটা দেখতে পারবো | মামার মেইল এতটুকু পড়ার পর খানিকটা কৌতুক বোধ করেছিলাম, পৃথিবী কি একটা চাঁদের সাথে খুশি হয়ে আরেকটা চাঁদ ফ্রীতে দেখানো শুরু করলো নাকি?! না এমনটি কখনো হবার নয়, যদি না আল্লাহ অলৌকিক কিছু না ঘটান| মেইলের পরের লাইন পরার পর ঘটনা আঁচ করে ফেললাম কারণ , একটা চাঁদ লাল রঙের|
পাঠকদের মাঝে যারা জোতির্বিদ্যার খোঁজ কবর রাখেন, বুঝে ফেলার কথা আমি কোন গ্রহের কথা বলছি | খুব শিগ্রই আমরা মঙ্গল গ্রহকে খালি  চোখে দেখতে পারবো, তারিখটা এই পোস্টের শিরোনামে দিয়ে দিয়েছি| মহাকাশে এমন ঘটনা রোজ রোজ ঘটেনা, পৃথিবী সাথে মঙ্গল গ্রহের দুরত্ব সবচেয়ে কমে আসবে এই দিন, মহাকাশ বিজ্ঞানদের ইতিহাসে এই হবে একটা সাড়া জাগানো ঘটনা | কারণ এর পরে পৃথিবী আর মঙ্গলের মাঝে আবার কাছাকাছি অবসান হবে ২২৮৭ সালে, 
জোতির্বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে , আগামী ৫০০০ বছরে এই ঘটনার পুরাবৃত্তি ঘটবেনা, আগামী ৬০০০০ বছরেও এমনটি হবে কিনা তার কোনো নিশ্চয়তা বিজ্ঞানীরা দেন নি|
মঙ্গল গ্রহ আর পৃথিবীর মাঝে দুরত্ব কমে আসবে মাত্র ৩৪,৬৪৯,৫৮৯ মাইলে(চাঁদের সাথে পৃথিবীর গড় দুরত্ব ২৩৮৮৫৭ মাইল)| আকাশে মঙ্গল গ্রহের অবস্থান হবে অনেকটা এই রকম : Magnitude -২.৯ , ২৫.১১ আর্ক সেকেন্ড Wide,পাওযার মেগ্নিফিকেসন ৭৫ |
তো চোখ রাখুন আকাশে , ২৭শে আগস্ট বেলা ১২.৩০ মিনিটে(দিনের আলোয়) চাঁদের পর আকাশে সবচেয়ে উজ্জল বস্তু হিসেবে থাকবে , পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশী মঙ্গল গ্রহ |তথ্য সুত্র


শেষ কথা : পুরো ব্যাপারটা একটা ভাউতাবাজি, কারণ এত কাছে মঙ্গল গ্রহ আসলে, পৃথিবী আর মঙ্গল গ্রহের মাঝে অভিকর্ষ বিপর্যয় দেখা দিবে,  মঙ্গল গ্রহের ভর চাঁদের তুলনায় অনেক বেশি, যা পৃথিবীকে উল্টা মঙ্গলের দিকে টেনে নিতে পারে

শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০১০

যতি বিভ্রাট

ইশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ভাষায় প্রথম যতিচিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন | বাংলা সাহিত্যকে , বাংলা সাহিত্যের লিখিত রূপ কে পরিপাটি করার জন্য তিনি দাঁড়ি, কমা, কোলনকে বাক্যের মাঝে ট্রাফিকের মতো বসিয়েছেন| ভাগ্যিস তিঁনি এখন বেঁচে নেই, আর যদি বেচে থাকতেন তাহলে আমার মতো শখের বশে ব্লগ লিখনে ওয়ালাদের দাঁড়ি, কমার যথেচ্ছ ব্যবিহার দেখে তিনি হয়তো বাংলা সাহিত্য চর্চা ছেড়ে দিতেন. কর্ম ক্ষেত্রে আর পড়ালেখায় বহুদিন বাংলা চর্চা না থাকায় ,ভালো মতো বাংলা ভাষায় লেখা লেখি করতে পারছিনা| বাংলায় টাইপ করাটাও মহা ভারিক্কি কাজ, সাধুবাদ জানাই তাদের যারা ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে এই কাজ টি শিখে ফেলেছেন| বাংলা ব্যকরণ বইটা আবার খুজতে হবে| 

শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০১০

রংধনু

বেশ কয়েক দিন ধরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে, রোজ ভোরে উঠেই আকাশে মেঘ দেখেছি. ঝম ঝম বৃষ্টি না হলেও ঝিরিঝিরি বৃষ্টি একটু পরপরই বিরতিহীন ভাবে পরেছে..বাংলা কেলেন্ডার-এর  হিসেবে বর্ষা কাল চলছে, এখন বোধহয় শ্রাবণ মাস চলে, বাংলা কেলেন্ডার দেখা হয়না , তাই সঠিক দিন ক্ষণ বলতে পারছিনা| 
আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়েছে, জলবায়ু র উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পরছে - এই ব্যপার গুলো আগে উপলব্ধি করতে পারতাম না, ইদানিং ব্যপারটা ধরতে পারছি. পত্রিকার প্রবন্ধ আর আমার পরিবেশবাদী বন্ধুদের কথার প্রভাব আমর চিন্তা ভাবনায় পড়তে শুরু করেছে, এর পেছনেও কারণ আছে- আজ সকালে রোদের উত্তাপ টা ভালই তের পেয়েছি . এই শ্রাবণ মাসে, গমগমে বৃষ্টির বদলে গ্রীষ্মের মতো রোদ, বড় কোনো পরিবর্তনের ফলাফল | গেলো দুই সপ্তাহ, বেশ কয়েক বার আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নামবে বলে মনে হয়েছে, কিন্তু মেঘ গুলো ঢাকার আকাশের উপর দিয়ে উত্তর দিকে চলে গেছে(সম্ভবত চেরাপুঞ্জিতে মেঘের মেলা হচ্ছে) | রিকশায় চলতি অবস্থায় আগে হুট উঠিয়ে, পলিথিন নিয়ে বসতাম, এই কয় দিন এমনটি ঘটেনি| বরঞ্চ, বৃষ্টির ঝাঁঝ কম থাকে অনেকের মতো আমিও ঝিরি গুড়ি বৃষ্টিতে দিব্যি রিক্সার হুট নামিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি| 
আজ সকালের রোদ দেখার পর রঙধনুর কথা মনে হয়েছে, রঙধনু দেখা হয়না অনেকদিন, এই ধনুকের কথা প্রায় ভুলতে বসেছি| খুব রঙধনু দেখতে ইচ্ছা করছে, খুব করে চাইলাম, বিকেলে যেন রঙধনু দেখতে পাই. 
টুইটার আর ফেসবুকের জামানায়, আমিও ভালো তাল মিলাচ্ছি, নিজের মনের ইচ্ছা তুলে ধরলাম টুইটারের ১৪০ অঙ্কের ঘরে| এখন আবহাওয়া  আমাদের মতই ফাঁকিবাজ, বিকেল বেলা না বৃষ্টি , না রোদ| বিকেলের আচরণ হলো সাদা মাটা শরতের মতো|  
দিন শেষে অনলাইনে  ঢুকতেই সকালের ইচ্ছার কথা মনে পরে গেলো, কারণ আমার মতো আমার অনেক বন্ধুই এই ধনুকটা অনেক দিন দেখেনি| রঙ ধনু বাস্তবে আজ আর দেখা হইনি তবে কৃত্রিম রঙ ধনু দেখলাম - বন্ধুদের কমেন্টে আর গুগলের ইমেজ সার্চ থেকে এই ব্লগ লেখার আগে | আসল রঙধনুর দেখা চাই|
পুনশ্চ : এই ব্লগ লেখার পর বহুদিন পর বাংলা বর্ষপঞ্জি দেখলাম, আজ ১৫ই শ্রাবন, ১৪১৭|

শনিবার, ২৯ মে, ২০১০

যাত্রা শুরু

আমি একজন লেখক নই, নিয়মিত ব্লগার দের মত নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে লেখালাখি আমার কাছে দুরহ মনে হয়। লেখালেখি করা  আমার কাছে খসড়া খাতার কোনে আঁকিবুকি করার মতই একটা কাজ . 
ঘুরে বেরানো আমার স্বভাবজাত কাজ, ঘুরে বেরানোর সময় আমার চোখ চার দিক নতুন নতুন গল্প খুজে বেড়ায়, চোখের দেখা আর মনের আঁকা খোরাক আটকে রাখার জন্য মাঝে মাঝে খাতার ফাঁকা অংশে চিরকুটের মতই ছবি অথবা দু চার লাইন লেখার অভ্যাস ছিলো, আজকাল কোনো কাগজের খাতার চেয়ে, কম্পিউটারের এই বাইনারি পাতায় লেখা হয় বেশি . সময়ের সাথে সাথে লেখার উপকরণের পরিবর্তন হয়েছে , কিন্তু পুরনো খাতার কোনায় কাটা কুটি খেলার অভ্যাস যায়নি, তাই এই বাইনারি পাতায় নতুন করে কাটা কুটি শুরু .